Bd Civil Info
  • Home
  • Subjective Knowledge
    • Construction Process
    • Surveying
    • Structural
    • Geotechnical
  • Estimating
    • Estimating Info
    • Bricks
    • Reinforcement
    • Concrete
  • AMIE
    • Questions
      • Drawing (Civil)
      • Physics
      • Surveying
      • Mathemetics-1
    • Syllabus
    • Admission Rules
    • Reference Book
  • JOB INFO
    • Govt.
    • Job Site
      • Bdjobs
      • Everjobs
    • Private
    • Marketing
  • Computer Knowledge
    • MS Office
      • MS Word
      • MS Excel
      • MS Powerpoint
    • Auto Cad
    • Revit Architect
    • Adobe Photoshop
  • Contact

Monday, March 6, 2017

ওয়ার্ড ফাইল থেকে পিডিএফ করুন খুব সহজে (ভিডিও সহ)

 www.bdcivilinfo.blogspot.com     12:39 PM     Computer Knowledge, MS Office, MS Word     No comments   


আপনার ওয়ার্ড ফাইলটিকে পিডিএফ করতে চান ???
নো চিন্তা এসে গেছে সহজ উপায়!!!!!!
মাত্র একটা ফাইল ডাউনলোড দিয়ে খুব সহজেই আপনার কাজ করতে পারেন। 
ক্লিক করুন এখানে See Details Click here
এটা ইন্সটল করে নিন। কাজ শেষ 
  • প্রথমে ওয়ার্ড ফাইল ওপেন করুন
  • Save As করে সেভ করার সময় Save as type PDF সিলেক্ট করুন
  • তারপর Save করলেই কাজ শেষ।
প্রয়োজনে ভিডিও টা দেখুন See details on video
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Linkedin
  •  Digg

Wednesday, February 22, 2017

সরকারী চাকুরীর সবচেয়ে বড় বিজ্ঞপ্তি (ডিপ্লোমা ইন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং)

 www.bdcivilinfo.blogspot.com     12:24 PM     Govt Job, Job Info, Private Job     No comments   


See Details Click here 
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Linkedin
  •  Digg

Thursday, February 16, 2017

ইট-Bricks

 www.bdcivilinfo.blogspot.com     3:29 PM     Bricks, Construction Process, Estimating, Subjective Knowledge     No comments   


নির্মাণ সামগ্রী হিসেবে ইট যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। ভারবহনকারি দেয়াল, পার্টিশন দেয়াল ইত্যাদি তৈরিতে ইট কাজে লাগে। এছাড়া ইট দিয়ে খোয়া তৈরি করা হয়।
তৈরির পদ্ধতি অনুসারে ইটকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়
  •  সাধারণ ইট বা বাংলা ইট
  •  সিরামিক ইট বা মেশিনে বানানো ইট 
  •  কংক্রিটের তৈরি ইট

সাধারণ ইট বা বাংলা ইট
সাধারণ ইট চার ধরনের হয়-

  • প্রথম শ্রেণীর ইট
  • দ্বিতীয় শ্রেণীর ইট
  • তৃতীয় শ্রেণীর ইট
  • ঝামা ইট

১. প্রথম শ্রেণীর ইট
প্রথম শেণীর ইট নিম্নলিখিতবৈশিষ্ট্যসমূহ ধারণ করে

  • প্রথম শ্রেণীর ইট একই মাপের হয় এবং রংও একই রকম হয়।
  • ভালোমত পোড়ানো হয়।
  • হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করলে ধাতব শব্দ হয়।
  • ইকটি ইট খাড়া অবস্থায় রেখে এর উপর অন্য একটি ইট দিয়ে T এর মতো তৈরি করে ৩.২৮ ফুট বা ১ মিঃ উপর থেকে ফেললে উপরের ইটটি ভাঙ্গবে না।
  • নখ দিয়ে বা চাবি দিয়ে ইটের গায়ে দাগ বসানো যাবে না।
  • একটি প্রথম শ্রেণীর ইটের আকার ৯.৫”X ৪.৫” X ২.৭৫”।
  • একটি প্রথম শ্রেণীর ইটকে ২৪ ঘন্টা পানিতে ডুবিয়ে রাখলে ইটটি তার ওজনের ১৫% পরিমাণ পানি শোষণ করে।

২. দ্বিতীয় শ্রেণীর ইট
  • দ্বিতীয় শ্রেণীর ইট নিম্নলিখিতবৈশিষ্টসমূহ ধারণ করে
  •      অনেকটা প্রথম শ্রেণীর মত, ভাল পোড়ানো থাকে তবে একটু বেশি পোড়ানো থাকে।
  •     দুটি ইট পরস্পর আঘাত করলে ধাতব শব্দ হয় না।
  •      ২৪ ঘন্টা পানিতে ডুবিয়ে রাখলে এর শুষ্ক ওজনের সর্বোচ্চ ২২% এর বেশি পানি শোষণ করবে না।
  •      ভেঙ্গে ফেলার শক্তি কমপক্ষে ৯০ kg/cm২ হওয়া উচিৎ।
  •      এর আকার আকৃতি এবং রং কিছুটা অসমান এবং ইটের তলা অমসৃণ থাকে।
          ৩. তৃতীয় শ্রেণীর ইট

          • এই ধরণের ইট অনেকটা কম পোড়ানো থাকে
          • সহজে ভেঙ্গে যায় এবং হালকা রংয়ের হয়ে থাকে।
          • যখন দুটি ইট একে অপরকে আঘাত করে তখন দুর্বল শব্দ হয়।
          • এর আকার আকৃতি খুবই অসমান থাকে।
          • ২৪ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখলে এর ওজনের সর্বোচ্চ ২৫% এর বেশি পানি শোষণ করবে না। 


          ৪. অধিক পোড়া বা ঝামা ইট
          অধিক পোড়ানোর ফলে এই ইট ফাঁপা হয়ে যায় এবং এর আকার এতটাই বিকৃত হয় যে, সাধারণ নির্মাণ কাজে ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে যায়। এটা সাধারণত খোয়া তৈরিতে ব্যবহার করা হয় যা চুন কংক্রিটের ভিত্তি ও রাস্তার কাজে ব্যবহার করা হয়।

          কম পোড়া বা পিলা ইট
          কম পোড়া ইটকে সাধারণত পিলা ইট বলে। এগুলো অর্ধেক পোড়া হয় এবং হলদেটে রঙের হয়। এসব ইটের কোন শক্তি থাকে না। তাই এগুলো সুরকি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

          ইট ব্যবহারের সতর্কীকরণ নির্দেশিকা
          দীর্ঘস্থায়ী নির্মাণ কাজে সব সময় প্রথম শ্রেণীর ইট ব্যবহার করা উচিৎ। পাকা কাজে অথবা বাড়ির প্রাচীর নির্মাণ কাজে বা অস্থায়ী শেড তৈরির কাজে ২য় ও ৩য় শ্রেণীর ইট ব্যবহার করা যেতে পারে।
          ফিল্ড বা সাইটে ইট পরীক্ষা
          নিচের পরীক্ষাগুলোর সাহায্যে নির্মাণ স্থলে ভাল ইট শনাক্ত করা যেতে পারে। যেমন-

          • প্রথমে একটি ইট নিয়ে এর পিঠে বা তলাতে নখ দিয়ে আচড় দিয়ে হবে, যদি আচড় পড়ে তবে তা খারাপ ইট বলে বিবেচিত হবে, আর না পড়লে ভাল ইট।
          • একটি ইট নিয়ে হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করতে হবে যদি ধাতব শব্দের সৃষ্টি হয় তবে ভাল ইট।
          • দুটো ইট হাতে নিয়ে T এর মত একটি অপরটির উপর ধরে ১ মিটার উপর থেকে সমান মাটিতে ফেলতে হবে, ভাল ইট হলে উপরের ইটটি ভাঙ্গবে ন্ই
          ইটের ব্যবহার সাধারণত নিম্নরূপ 
          • যে কোন আকৃতির দেয়াল তৈরিতে।
          • মেঝে বা ফ্লোর তৈরিতে।
          • আর্চ ও কার্নিশ তৈরিতে।
          • খোয়া তৈরিতে।
          • সুরকি তৈরিতে যা সাধারণত চুন প্লাষ্টার বা চুন কংক্রিটে ব্যবহার হয়ে থাকে।

          ইটের আকৃতি বা সাইজঃ
          বাংলাদেশে পি.ডব্লিউ.ডি সিডিউল অনুযায়ী ইটের সাইজ সাধারণত ৯ ১/২ ইঞ্চি X ৪ ১/২ ইঞ্চি X ২ ৩/৪ ইঞ্চি বা (২৩৮ মিমি X ৭০ মিমি) মাপের বাংলা ইট ব্যবহৃত হয়। আরও অনেক আকৃতির ইট আছে তবে এই আকৃতির ইট সবচেয়ে সুবিধা জনক মর্টারসহ উক্ত সাইজ হয় ১০ ইঞ্চি X ৫ ইঞ্চি X ৩ ইঞ্চি (২৫০ মিমি X ১২৫ মিমি X ৭৫ মিমি)।
          সিরামিক ইট
          এটি অতি উন্নতমানের প্রথম শ্রেণীর ইটের অন্তর্ভূক্ত। এই প্রকার ইট মেশিনে তৈরি করা হয় বলে আকার ও আকৃতি সঠিক ভাবে বজায় রাখা সম্ভব হয়। অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে গ্যাস অথবা বিদ্যুতের সাহায্যে পোড়ানোর ফলে এর রঙের সাম্যতা সর্বত্র বজায় থাকে। ফেয়ার ফেস ব্রিক ওয়ার্কে অর্থাৎ আস্তর করা হবে না এমন দেয়াল নির্মানে এই ইট ব্যবহার করা হয়। সিরামিক ইটে ৫৫% বালি, ৩০% অ্যালুমিনিয়াম, ৮য় আয়রণ অক্সাইড, ৫% ম্যাগনেসিয়া ও ১% জৈব পদার্থ থাকতে পারে।
          ব্রিক ওয়ার্ক করা সাধারণত সিরামিক ইট দিয়ে এবং এক্ষেত্রে অভিজ্ঞ রাজমিস্ত্রি দিয়ে কাজ করাতে হয়, (বিশেষ করে সিরামিক দিয়ে যারা আগে কাজ করেছে) না হলে ফেয়ার ফেসের সৌন্দর্য নষ্ট হবার সম্ভবনা থাকে।
          হলো ব্লক: বাড়ী নির্মানের হলো ব্লক খুবই উপযোগী। হলো ব্লক ব্যবহারে নিম্নলিখিত সুবিদাদি পাওয়া যায়:
          •  ইটের গাঁথুনির ওজন ৪০ ভাগ কমায় যার ফলে সাশ্রয়ী ডিজাইন সম্ভব হয় পরিবেশ বান্ধব।
          • ঘরের আয়তন প্রতি ১০০ বর্গফুটে ৬-১০ বর্গফুট বৃদ্ধি পায়।
          • দেয়ালে লোনা ধরে না ও জ্যাম হয় না।
          •  শব্দ, তাপ, আগুন ও আর্দ্রতা প্রতিরোধক।
          •  সহজে প্লাষ্টার করা যায় এবং এর পুরুত্ব সাধারণ ইটের চেয়ে অর্ধেক হয় (১২মি:মি:-৬মি:মি)
          •  ইলেকট্রিক্যাল ও প্লাম্বিং এর কাজে সহায়ক।
          Read More
          • Share This:  
          •  Facebook
          •  Twitter
          •  Google+
          •  Linkedin
          •  Digg

          Civil Engineer (Diploma)

           www.bdcivilinfo.blogspot.com     1:54 PM     Job Info, Marketing Job, Private Job     No comments   



          Read More
          • Share This:  
          •  Facebook
          •  Twitter
          •  Google+
          •  Linkedin
          •  Digg

          Monday, February 13, 2017

          কনস্ট্রাকশন কাজের টীম সদস্য

           www.bdcivilinfo.blogspot.com     12:51 PM     Construction Process, Subjective Knowledge     No comments   


          একটি কনস্ট্রাকশন কাজের জন্য নিম্নের মত একটা টীম বা গ্রুপ থাকা জারুরী।
          প্রজেক্ট ম্যানেজার : ইনিই প্রজেক্টের প্রধাণ। প্রজেক্ট পরিচালনা ও সঞ্চালনা করে থাকেন এই প্রজেক্ট ম্যানেজার। কন্ট্রাকটার নিয়োগ দেয়া, ওয়ার্ক অর্ডার করা, ট্রেইনিং দেয়া, ইত্যাদি কাজ করা প্রজেক্ট ম্যানেজারের দ্বায়িত্ব
          প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়ার: প্রজেক্টে কন্ট্রাকটারদের পরিচালনা করা, কোয়ালিটি দেখা, ট্রেইনিং দেয়া প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়ারের কাজ। মালামালের হিসাব করা এবং প্রজেক্টের কাজের অগ্রগতি ও অবস্থা ম্যানেজারকে নিয়মিত জানানো প্রজেক্ট ইঞ্জিয়ারের কাজ।
          সাইট ইঞ্জিনিয়ার: সাইটের কাজের সার্বিত তত্ত্বাবধান করে থাকেন সাইট ইঞ্জিনিয়ার। মালামালের জন্য রিকুইজিশন দেয়া, হিসাব করা, বিল করা, কাজের তদারকি করা সাইট ইঞ্জিনিয়ারের কাজ
          স্টোর অফিসার: মালামালের হিসাব রাখা, মালামাল দেয়া ও আনা স্টোর অফিসারের কাজ। সাইট ইঞ্জিনারের প্রয়োজন অনুসারে রিকোইজিশন দেয়াও স্টোর অফিসারের কাজ
          সিকিউরিটি গার্ড: সাইটের সিকিউরিটি দেখাশোনা করা। গার্ডের কাজ বেশ গুরুত্বপুর্ণ। এই কাজের জন্য বিশ্বস্ত ও সৎ মানুষ অবশ্যই নিয়োগ দিতে হবে
          Read More
          • Share This:  
          •  Facebook
          •  Twitter
          •  Google+
          •  Linkedin
          •  Digg

          বাংলাদেশে একটি সম্পত্তি নিবন্ধন করার জন্য ৮ টি ধাপ

           www.bdcivilinfo.blogspot.com     12:36 PM     Construction Process, Subjective Knowledge, Surveying     No comments   


          ১. ভূমি অফিস (ভূমি রাজস্ব অফিস) থেকে মালিকানা অধিকারের রেকর্ড যাচাই করুন, জমির শেষ ট্যাক্স পরিশোধের তারিখ পর্যন্ত
          ২. ভূমি সহকারী কমিশনার এর অফিস ও নির্দিষ্ট তহশীল অফিসে সম্পত্তির ট্রান্সফার (পরিবর্তন) সার্টিফিকেট এর জন্য আবেদন করুন
          ৩. আরএস পরিবর্তনের জন্য পরিদর্শনের অনুরোধ করুন - বাধ্যতামূলক, যদি সম্পত্তি ন্যাশনাল হাউজিং কর্তৃপক্ষ বা রাজউক এর নিয়ন্ত্রণে থাকে। এছাড়াও পরীক্ষা করে দেখুন সম্পত্তিটির সব কর সিটি কর্পোরেশন এর রাজস্ব বিভাগ এ পরিশোধ করা আছে কিনা।
          ৪. সাব রেজিস্ট্রি অফিস এ Non-Encumbrance সার্টিফিকেটের জন্য অনুরোধ করুন - ভূমির আইনি অবস্থা. বিস্তারিত তথ্য প্রদান করার জন্য ভূমি প্রতিবেদনের প্রয়োজন হতে পারে
          ৫. স্থানান্তর দলিল প্রস্তুত করুন এবং রেজিস্ট্রি অফিস ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যাংক এ স্ট্যাম্প ডিউটি পরিশোধ করুন
          ৬. একটি মনোনীত ব্যাংক এ মূলধনী ট্যাক্স, রেজিস্ট্রেশন ফি ও অন্যান্য করের অর্থ প্রদান করুন
          ৭. রেজিস্ট্রেশন ফি এর জমা রসিদ উপস্থাপন করে মিউনিসিপাল দলিল রেজিস্ট্রি অফিস এ রেজিস্ট্রেশন নথির জন্য আবেদন করুন - ধাপ ৬ দেখুন৷
          ৮. ভূমি রাজস্ব অফিস এ মালিকানা পরিবর্তনের জন্য নিবন্ধন করুন ও স্থানান্তরের দিন জমির ট্যাক্স পরিশোধ করুন৷
          Read More
          • Share This:  
          •  Facebook
          •  Twitter
          •  Google+
          •  Linkedin
          •  Digg

          সাইট ইঞ্জিনিয়ারের জন্য গুরুত্বপুর্ণ কয়েকটি উপদেশ

           www.bdcivilinfo.blogspot.com     12:27 PM     Construction Process, Subjective Knowledge     No comments   



          1. 36 মিলি এর চাইতে মোটা রডে ল্যাপিং হবে না।
          2. চেয়ার এর স্পেসিং (এক চেয়ের থেকে আর এক চেয়ার, উভয়দিকে) সর্বোচ্চ এক মিটার।
          3. ডাওয়েল বারের সাইজ সর্বনিম্ন 12 মিলি 
          4. চেয়ারের রড 12 মিলি এর নিচে হবে না
          5. লংবার 0.8% এর কম এবং 6% এর বেশি হবে না ক্রস সেকশনের 
          6. চারকোনা কলামের রড কমপক্ষে 4 টি এবং সার্কুলার কলামে কম্পক্ষে 6 টি থাকতে হবে
          7. স্ল্যাবের মেইন রড 8 মিলি এর নিচে হবে না। তবে প্লেইন রড 10 মিলি এর নিচে হবে না। ডিস্ট্রিবিউশন রড 8 মিলি এর নিচে হবে না। রড স্লাবের পুরুত্বের আট ভাগের এক ভাগের চেয়ে বড় হবে না। অর্থাৎ স্ল্যাবের থিকনেস 160 মিলি হলে রডের সাইজ 20 মিলি এর বেশি হতে পারবে না 
          8. 125 মিলি এর নিচে স্ল্যাব থিকনেস না হওয়াই ভাল 
          9. কিউবের সাইজ টলারেন্স +2 মিলি। অর্থাৎ কোন দিকেই সাইজ স্ট্যান্ডার্ড থেকে +2 এর বেশি হতে পারবে না
          10. 1.5 মিটারের বেশি উচ্চতা থেকে কংক্রিট ফেলা যাবে না 
          11. ইটের পানি শোষণ ক্ষমতা 15% এর বেশি হতে পারবে না 
          12. PH এর মান 6 এর নিচে হতে পারবে না
          13. ইটের কম্প্রেসিভ স্ট্রেন্থ 3.5 N/mm2 কম হতে পারবে না
          14. প্রতি মেট্রিক টন রডে 8 কেজা গুণা তার প্রয়োজন 
          15. কংক্রিট ঢালাইয়ের সময় 100 মিটারের জন্য কমপক্ষে এক সেট সিলিন্ডার টেষ্টের জন্য নিতে হবে
          Read More
          • Share This:  
          •  Facebook
          •  Twitter
          •  Google+
          •  Linkedin
          •  Digg

          Sunday, February 5, 2017

          AMIE Admission New Rules-2017

           www.bdcivilinfo.blogspot.com     10:24 AM     Admission Rules, AMIE, Amie Syllabus     No comments   

          AMIE Admission Rules 2020
          Read More
          • Share This:  
          •  Facebook
          •  Twitter
          •  Google+
          •  Linkedin
          •  Digg

          Thursday, February 2, 2017

          Padma Bridge at a glance

           www.bdcivilinfo.blogspot.com     1:49 PM     Subjective Knowledge     1 comment   


          *    Project : Padma Multi Purpose Bridge 
          *    Nature : Double Deck, Road at upper and Railway at lower
          *    Location : Mawa Point in Munshiganj to Janjira point in Shariatpur over the river Padma
          *    Length : 6.15 KM including approach roads in two sides
          *    Cost : Tk 288 billion, fully GOB funded 
          *    Project completion : 48 Months, from November 2014 to November 2018
          *    Beneficiary : 50 million people in 22 South-West districts
          *    Economic viability : 1.2 per cent growth in the GDP
          *    Total land acquisition : 646.462 acres from inhabitants of the project site and 142.80 acres government's khas land  
          *   Connecting : 14 KM in two sides
          *    Piling Depth : 383 feet
          *    Total Piling number : 264
          *    Pillars : Total 42. In river 40
          *    River training : 12 KM on both banks
          Read More
          • Share This:  
          •  Facebook
          •  Twitter
          •  Google+
          •  Linkedin
          •  Digg

          Friday, January 27, 2017

          কনসীল বীম

           www.bdcivilinfo.blogspot.com     12:36 PM     Structural, Subjective Knowledge     No comments   


          কনসীল বীম এর অন্য একটি নাম হলো হিডেন বীম। স্ল্যাবের সমান পুরুত্বের বীমকে কনসীল বীম বলা হয়ে থাকে।
          মুলত ফ্লাট স্ল্যাবে কলাম বরাবর যেভাবে স্ট্রীপ চিন্তা করে অতিরিক্ত রিইনফোর্সমেন্ট দেয়া হয়, এমন চিন্তা থেকেই এই কনসীল বীমের ধারণা এসেছে। তবে ইঞ্জিনিয়ারিং এ এই কনসীল বীম হিসাবে আসলে তেমন কিছু নেই।
          200 মিমি এর নিচের পুরত্বের কোন ছাদে এই জাতীয় বীম ব্যবহার করা উচিত না। তবে সবসময়ই এই কনসীল বীম পরিহার করে চলা উচিত।
          যদি করতেও হয় তাহলে শুধু বীম নয়, পুরো স্ল্যাব সহ মডেলটি এনালাইসিস করতে হবে।
          কনসীল বীমের জন্য কলামের পাঞ্চিং শেয়ার অবশ্যই চেক করে নিতে হবে। 
          Read More
          • Share This:  
          •  Facebook
          •  Twitter
          •  Google+
          •  Linkedin
          •  Digg

          Tuesday, January 24, 2017

          Microsoft Word Keyboard Shortcut

           www.bdcivilinfo.blogspot.com     10:41 AM     Computer Knowledge, MS Office, MS Word     No comments   


          নিচে কিছু কিবোর্ড শর্টকাট দেয়া হল এগুলো আপনার Microsoft Word এর কাজকে দ্রুত করতে সাহায্য করবে।
          Ctrl+A= ফাইলের সব কিছু সিলেক্ট করা।
          Ctrl+B= সিলেক্ট করা টেক্সটকে বোল্ড করা।
          Ctrl+C= সিলেক্ট করা যে কোন কিছু কপি করা।
          Ctrl+D= ফন্ট ডায়ালক বক্স দেখাবে।
          Ctrl+E= সিলেক্ট করা টেক্সটকে পৃষ্ঠার মাঝে নিতে।
          Ctrl+F= ফাইন্ড এন্ড রিপ্লেস ডায়ালক বক্স থেকে কোন টেক্সট খুঁজে বের করা।
          Ctrl+G= নির্দিষ্ট পৃষ্ঠায় যাবার জন্য ব্যবহৃত হয়।
          Ctrl+H= ফাইন্ড এন্ড রিপ্লেস ডায়ালগ বক্স থেকে কোন টেক্সট রিপ্লেস করার জন্য।
          Ctrl+I= সিলেক্ট করা টেক্সটকে ইটালিক/ বাঁকা করতে ব্যবহৃত হয়।
          Ctrl+J= টেক্সট জাস্টিফাই করতে ব্যবহৃত।
          Ctrl+K= সিলেক্ট করা যে কোন কিছু লিংক করতে ব্যবহৃত হয়।
          Ctrl+L= টেক্সট পৃষ্ঠার/টেক্সট বক্সের বাম দিকে নিতে।
          Ctrl+M= টেক্সট এর নির্দিষ্ট স্থান বাম দিকে ফাঁকা করতে ব্যবহৃত এটি ট্যাব এর ন্যায় কাজ করে।
          Ctrl+N= নতুন ডকুমেন্ট ফাইল খুলতে ব্যবহৃত হয়।
          Ctrl+O= পুরাতন বা সেভ করা ফাইল খুলতে ।
          Ctrl+P= প্রিন্ট ডায়ালগ বক্স দেখাবার জন্য ব্যবহৃত।
          Ctrl+R= টেক্সট পৃষ্ঠার/টেক্সট বক্সের ডান দিকে নিতে।
          Ctrl+S= নতুন ফাইল সেভ বা পুরাতন ফাইলের সংযোজন অংশ সেভ করতে ব্যবহৃত।
          Ctrl+T= সাধারণ টেক্সট নাম্বারিং এর জন্য সাহায্যে করে বাম থেকে দ্বিতীয় লাইন থেকে নির্দিষ্ট স্থান দূরে সরে যাবে।
          Ctrl+U= টেক্সট এর নীচে দাগ দিতে ব্যবহৃত।
          Ctrl+V= কপি করা যে কোন কিছু পেষ্ট করতে ব্যবহৃত।
          Ctrl+W= প্রোগ্রাম বন্ধ না করে নির্দিষ্ট ডকুমেন্ট বন্ধ করতে ব্যবহৃত।
          Ctrl+X= সিলেক্ট করা যে কোন কিছুকে কাট করতে ব্যবহৃত হয়।
          Ctrl+Y= পরবর্তী কাজ সমূহে চলে যাবার জন্য।
          Ctrl+Z= পূর্ববর্তী কাজ সমূহে চলে যাবার জন্য।

          Read More
          • Share This:  
          •  Facebook
          •  Twitter
          •  Google+
          •  Linkedin
          •  Digg

          মাইক্রোসফট ওয়ার্ড কিবোর্ড শর্টকাট

           www.bdcivilinfo.blogspot.com     10:33 AM     Computer Knowledge, MS Office, MS Word     No comments   


          আমরা অনেকে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে কাজ করি। কিন্তু কিছু কি বোর্ট শর্টকাট জানা থাকলে আপনি অতি সহজে এবং দ্রুত কাজ করতে পারবেন। আর এখন বিভিন্ন চাকুরীর পরীক্ষায় ও এই কিবোর্ট শর্টকাট থেকে প্রশ্ন করা হয়। তাই কথা না বাড়িয়ে দেখে নিন কিবোর্ড শর্টকাট

          Create, save, view and print documents
          Ctrl+N- নতুন ডকুমেন্ট শুরু করা।
          Ctrl+O- ওপেন ডায়ালগ বক্স প্রদর্শন করা।
          Ctrl+W- অ্যাকটিভ ডকুমেন্ট বন্ধ করা।
          Ctrl+S- ডকুমেন্ট সংরক্ষণ বা সেভ করা।

          Ctrl+P- প্রিন্ট ডায়ালগ বক্স প্রদর্শন বা প্রিন্ট করার জন্য
          Alt+Ctrl+I- প্রিন্ট কত পেইজ থেকে কত পেইজ  হবে বা প্রিন্ট প্রিভিউ প্রদর্শন করার জন্য
          Alt+Ctrl+P- প্রিন্ট লেআউট প্রদর্শন করার জন্য।
          Alt+Ctrl+O- আউটলাইন ভিউ প্রদর্শন করার জন্য।
          Alt+Ctrl+N- ড্রাফট ভিউ প্রদর্শন করার জন্য।

          Find, Replace and Browse through text
          Ctrl+F - কোন ওয়ার্ড সার্চ করার জন্য।
          Alt+Ctrl+Y -  আরেকটা ওয়ার্ড সার্চ করার জন্য(একটা সার্চ রিপ্লেস করার পর)
          Ctrl +H - রিপ্লেস ডায়ালগ বক্স প্রদর্শন করার জন্য।
          Ctrl+G - গো টু ডায়ালগ বক্স প্রদর্শন করার জন্য।
          Alt+Ctrl+ Z - আপনি শেষ চারটি জায়গায় সংশোধন করেছেন তা প্রদর্শন করবে।
          Ctrl+PageUp - পূর্বের সংশোধনের স্থানে যাওয়ার জন্য।
          Ctrl+PageDown - পরের সংশোধনের স্থানে যাওয়ার জন্য।
          Edit and Move Text and Graphics
          Backspace - বামদিক থেকে একটি বর্ণ ডিলিট করার জন্য।
          Ctrl + Backspace - বামদিক  থেকে একটি শব্দ ডিলিট করার জন্য।
          Delete - ডানদিন থেকে একটি বর্ণ ডিলিট করার জন্য।
          Ctrl + Delete - ডানদিক থেকে একটি শব্দ ডিলিট করার জন্য।
          Ctrl+ Z - শেষ কাজটি বাতিল করার জন্য।
          Ctrl + C - নির্বাচিত টেক্সট কপি করার জন্য।
          Ctrl + X - নির্বাচিত টেক্সট কাট করার জন্য।
          Ctrl+V - কপি/কাট করা টেক্সট পেস্ট করার জন্য।
          Alt+Shift +R -  হেডার অথবা ফুটারের পূর্বের অংশ কপি করার জন্য।
          Ctrl +Alt +V - পেস্ট স্পেশাল ডায়ালগ বক্স প্রদর্শনের জন্য।
          Ctrl + Shift + V - শুধু ফরম্যাটিং পেস্ট করার জন্য।
          Insert Special Characters
          Ctrl+F9 - খালি ফিল্ড ইনসার্ট করার জন্য।
          Shift +Enter - একটি প্যারাগ্রাফে একটি নতুন লাইন শুরু করার জন্য্।
          Ctrl + Enter - পেজ ব্রেক ইনসার্ট করার জন্য।
          Ctrl + shift+ Enter- কলাম ব্রেক ইনসার্ট করার জন্য।
          Alt+Ctrl+Minus Sign - একটি em ড্যাশ ইনসার্ট করার জন্য।
          Ctrl+Minus Sign - একটি en ড্যাশ ইনসার্ট করার জন্য।
          Ctrl + Hyphen - একটি অপশনাল হাইপেন ইনসার্ট করার জন্য।
          Ctrl + Shift + Hyphen - নন ব্রেকিং হাইপেন ইনসার্ট করার জন্য।
          Ctrl + Shift + Spacebar - নন ব্রেকিং স্পেস ইনসার্ট করার জন্য।
          Alt + Ctrl + C - কপিরাইট প্রতীক ইনসার্ট করার জন্য।
          Alt+Ctrl+R - রেজিষ্টার্ড ট্রেডমার্ক প্রতীক ইনসার্ট করার জন্য।
          Alt+Ctrl+T - ট্রেডমার্ক প্রতীক ইনসার্ট করার জন্য।
          Alt+Ctrl+Full Stop - উপবৃত্ত ইনসার্ট করার জন্য।
          Select Text and Graphics
          Shift + Right Arrow - ডানদিক থেকে একটি লেটার নির্বাচিত করার জন্য।
          Shift +Left Arrow - বামদিক থেকে একটি লেটার নির্বাচিত করার জন্য।
          Ctrl+Shift+RightArrow- শব্দের শেষ পর্যন্ত সিলেক্ট করার জন্য।
          Ctrl+Shift+Left Arrow- শব্দের শুরু পর্যন্ত সিলেক্ট করার জন্য।
          Shift+End - লাইনের শেষে সিলেক্ট করার জন্য।
          Shift + Home  - লাইনের শুরুতে সিলেক্ট করার জন্য।
          Shift + Down Arrow - নিচের একটি লাইন ও সিলেক্ট করার জন্য।
          Shift +Up Arrow - উপরের একটি লাইন ও সিলেক্ট করার জন্য।
          Ctrl+Shift+Down Arrow - প্যারেগ্রাফের শেষ পর্যন্ত সিলেক্ট করার জন্য।
          Ctrl+Shift+Up Arrow - প্যারাগ্রাফের শুরু পর্যন্ত সিলেক্ট করার জন্য।
          Shift+Page Down - স্ক্রীনের নিচে পরবর্তী স্ক্রীনে সিলেক্ট করার জন্য।
          Shift+Page Up - স্ক্রীনের উপরে পূর্ববর্তী স্ক্রীনে সিলেক্ট করার জন্য।
          Ctrl+Shift+Home - কোন ডকুমেন্টের একদম শুরুতে যাওয়ার জন্য।
          Ctrl+Shift+End - কোন ডকুমেন্টের একদম শেষে যাওয়ার জন্য।
          Ctrl + A - সম্পূর্ণ ডকুমেন্ট সিলেক্ট করার জন্য।
          Select Text in a Table 
          Tab - টেবলের পরবর্তী সেল সিলেক্ট করার জন্য।
          Shift +Tab - টেবলের পূর্ববর্তী সেল সিলেক্ট করার জন্য।
          Shift+Alt+Page Down -উপরের সেল থেকে পুরো কলাম সিলেক্ট করার জন্য।
          Shift+Alt+Page Up - নিচের সেল থেকে পুরো কলাম ‍সিলেক্ট করার জন্য।
          Alt+5 on the numeric Keypad(with Num Lock off) -পুরো টেবল সিলেক্ট করার জন্য।
          Apply Paragraph Formatting
          Ctrl+1- সিঙ্গেল লাইন স্পেসিং সেট করার জন্য।
          Ctrl + 2- ডাবল লাইন স্পেসিং সেট করার জন্য।
          Ctrl+5 - দেড় লাইন স্পেসিং সেট করার জন্য।
          Ctrl+0 - এক লাইন স্পেস দেওয়ার জন্য ২টি প্যারাগ্রাফের মধ্যে।
          Ctrl +E- একটি প্যারাগ্রাফকে মাঝখানে সেট করে।
          Ctrl+J- একটি প্যারাগ্রাফকে জাস্টিফাইড  অ্যালাইনমেন্ট দেওয়ার জন্য।
          Ctrl+R- একটি প্যারাগ্রাফকে রাইট  অ্যালাইনমেন্ট দেওয়ার জন্য।
          Ctrl+L-  একটি প্যারাগ্রাফকে লেফট অ্যালাইনমেন্ট দেওয়ার জন্য।
          Ctrl+M- বাম দিক থেকে ইনডেন্ট দেওয়ার জন্য
          Ctrl+Shift+M- বামদিক থেকে প্যারাগ্রাফ ইনডেন্ট বাদ দেয়ার জন্য।
          Ctrl+T- হ্যাংগিং ইনডেন্ট দেওয়ার জন্য।
          Ctrl+Shift+T- হ্যাংগিং ইনডেন্ট কমানোর জন্য।
          Ctrl+Q- প্যারাগ্রাফ ফরম্যাটিং দূর করার জন্য।
          Perform a Mail Merge
          Alt+shift+K- মেইল মার্জ প্রদর্শনের জন্য।
          Alt+Shift+N- ডকুমেন্ট মার্জড করার জন্য।
          Alt+Shift+M- মার্জড ডকুমেন্ট প্রিন্ট করার জন্য।
          Alt+Shift+E- মেইল মার্জড ডাটা ডকুমেন্ট এডিট করার জন্য।
          Alt+shift+F- একটি মার্জ ফিল্ড ইনসার্ট করার জন্য।
          Read More
          • Share This:  
          •  Facebook
          •  Twitter
          •  Google+
          •  Linkedin
          •  Digg

          Sunday, January 22, 2017

          Marketing Officer & Product Promotion Officer

           www.bdcivilinfo.blogspot.com     4:41 PM     Job Info, Marketing Job, Private Job     No comments   



          Read More
          • Share This:  
          •  Facebook
          •  Twitter
          •  Google+
          •  Linkedin
          •  Digg

          Friday, January 20, 2017

          বিআরটিসি (বুয়েট) টেষ্টিং সার্ভিস পাওয়ার জন্য করণীয়

           www.bdcivilinfo.blogspot.com     3:16 PM     Construction Process, Subjective Knowledge     No comments   


          ১. টেষ্ট এর নাম উল্লেখসহ “পরিচালক, বিআরটিসি, বুয়েট” বরাবরে চিঠি লেখা (যোগাযোগের জন্য চিঠিতে অবশ্যই দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা/প্রকৌশলীর মোবাইল নম্বরটি লেখা) 
          ২. চিঠিটি বিআরটিসি অফিসে (কাউন্সিল ভবনের নীচ তলা, সংযুক্ত ক্যাম্পাস ম্যাপটি দেখুন) জমা দিয়ে বিআরটিসি নম্বর নেয়া 
          ৩. ল্যাবরেটরীতে টেষ্ট স্যাম্পল জমা দেয়ার সময় স্যাম্পলের গায়ে বিআরটিসি নম্বরটি অবশ্যই লেখা 
          ৪. আপনার টেষ্ট স্যাম্পল সংশ্লিষ্ট ল্যাবরেটরী থেকে রিসিভ করানো 
          ৫. বিআরটিসি নম্বর সহ চিঠিটি টেষ্ট-ইন-চার্জের রুমে (রুম নং ৪০৮, ৪র্থ তলা, পুরকৌশল ভবন) এনে,
          • টেষ্ট ফি জেনে নেয়া এবং ব্যাংক ডিপোজিট সিøপ সংগ্রহ করা 
          • টেষ্ট রিপোর্ট পাওয়ার সম্ভাব্য তারিখ জেনে নেয়া 
          ৬. ব্যাংক ডিপোজিট সিøপটি সোনালী ব্যাংক, বুয়েট শাখায় টাকা জমা দিয়ে রশিদের অংশ সংগ্রহে রাখা এবং চিঠিতে টাকা জমা দেওয়ার স্ক্রল নম্বর সহ অন্যান্য তথ্য (সীল দেওয়া অংশে) পূরণ করে কনক্রিট ল্যাবে রক্ষিত বক্সে চিঠিটি রাখতে হবে। 
          ৭. টাকা জমা দেওয়ার রশিদ দেখিয়ে নির্ধারিত দিনে টেষ্ট রিপোর্ট রুম নং ৪০৮, ৪র্থ তলা, পুরকৌশল ভবন থেকে সংগ্রহ করা (টেষ্ট রিপোর্ট প্রস্তুত আছে কিনা সে বিষয়ে বিআরটিসি নম্বর উল্লেখ করে নিম্নের নম্বরে যোগাযোগ করা যেতে পারে) 
          ৮. টেষ্ট রিপোর্ট পাওয়ার পর পরই রিপোর্টিং এ কোন রকম ভুল ভ্রান্তি আছে কিনা তা ভালভাবে দেখে নেয়া। 

          যোগাযোগের জন্যঃ 
          প্রফেসর ডঃ মোঃ সামছুল হক, টেষ্ট-ইন-চার্জ, পুরকৌশল বিভাগ 
          মোবাইলঃ ০১৮১৯ ৫৫৭৯৬৪ 
          ফোনঃ ৯৬৬ ৫৬৫০-৮০/৭২২৬; ফ্যাক্সঃ ৯৬৬ ৫৬৩৯ 
          ওয়েবঃ http://www.buet.ac.bd/ce/ 
          বিআরটিসি অফিস সময়সূচী 
          শনিবার থেকে বুধবার সকাল ৯টা হতে বিকাল ৫টা 
          বৃহষ্পতিবার সকাল ৯টা হতে দুপুর ১টা 
          Read More
          • Share This:  
          •  Facebook
          •  Twitter
          •  Google+
          •  Linkedin
          •  Digg

          নির্মানাধীন ভবনের লে-আউট দেয়া

           www.bdcivilinfo.blogspot.com     3:13 PM     Construction Process, Subjective Knowledge     No comments   


          যেকোন কাজ শুরু করার আগে কাজের একটি রূপরেখা বা লে-আউট তৈরী করা খুবই দরকার। যেমন ধরুনঃ কোন দর্জি যখন পোষাক তৈরী করে তখন কাপড় কাটার আগে কাপড়ের উপর একধরণের দাগ দিয়ে নেয়। পরে সেই দাগ অনুসারে কাপড় কাটে সেলাই করবার জন্য। এই কাপড় কাটবার আগে দাগ দিয়ে নেয়া কে ওই পোষাকের জন্য লে-আউট দেয়া বলা হয়। ঠিক তেমনি কাগজ়ে আকা ভবনের নকশাকে প্রকৃত মাপ জোপের মাধ্যমে জমিতে স্থানান্তর করাকে প্রকৌশলবিদ্যায় ভবনের লে-আউট দেয়া বোঝায়।
          ভবনের নকশা, কাগজের উপর ছোট স্কেলে আকা থাকে।এখানে ডয়িং এর কাগজটিকে বাস্তব ভুমির ছোট সংষ্করণ বলা যেতে পারে।কাগজ়ে আকা নকশাটিকে প্রকৃত স্কেলে জমিতে চিহ্নিত করতে হয়, যাতে সহজেই প্রতিটি কলামের সঠিক অবস্থান, নির্মানাধীন ভবনের ওরিয়েন্টেশন এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়- ভবনটি সীমানার ভিতরে আছে কিনা তা নির্ণয় করা যায়।
          ড্রয়িং হলো প্রকৌশলীদের যোগাযোগের জন্য একটি আন্তর্জাতিক ভাষা।কোন ভবনের লে-আউট দেয়ার জন্য যে ড্রয়িং তৈরী করা হয় সেখানে সাধারনত a,b,c,d…… ও 1,2,3,4…… এই দুই ধরণের গ্রীডলাইন ব্যবহার করা হয়ে থাকে। a,b,c,d…… গ্রীড লাইনগুলো একে অপরের সমান্তরাল আবার 1,2,3,4…… গ্রীড লাইনগুলোও পরষ্পর পরষ্পরের সমান্তরাল হয়ে থাকে। কিন্তু a,b,c,d…… গ্রীড লাইনগুলো 1,2,3,4…… গ্রীড লাইনের সাথে সমকোণ তৈরী করে। এই দুই ধরণের গ্রীড লাইনের ছেদ বিন্দুটিতে সাধারণতঃ কলাম বা দেয়ালের অবস্থান করে থাকে।
           
          লে-আউট দেয়ার প্রধান কাজ হলো ড্রয়িং থাকা উপরে বর্ণিত ঐ সমস্ত গ্রীডলাইনগুলোকে বাস্তব মাপজোপের মাধ্যমে প্রকৃত জমিতে স্থানান্তর করা। কয়েকটি ধাপের মাধ্যমে সেই কাজটি প্রকৌশলীরা করে থাকেন-
          • প্রথমে একটি বেসলাইন (Baseline) বা সীমারেখা নির্ধারণ করতে হয়। সীমারেখাটি সাধারণতঃ পার্শ্ববতী কোনো ভবন বা রাস্তার মধ্যরেখা (centerline) এর সমান্তরালে একটি নির্দিষ্ট দুরুত্বে চিহ্নিত করা হয়।
          • বেসলাইনের সমান্তরাল করে ড্রয়িং এ অঙ্কিত বিভিন্ন গ্রীডলাইনগুলো (a,b,c,d……) কে ভূমিতে স্থানান্তর করা হয়। কিছু অস্থায়ী বাঁশের খুটির সাহায্যে এই সমস্ত গ্রীডলাইনগুলোকে চিহ্নিত করা হয়।
          • এরপর যেকোন একটি সুবিধামত গ্রীডলাইনের (1,2,3,4……) সাথে সমকোণে রেখে আরেকটি গ্রীডলাইন চিহ্নিত করা হয়।
          • একইভাবে লম্ব বরাবর যে গ্রীডলাইন পাওয়া গেল সেগুলো সমান্তরাল করে আগের মত আবার নতুন গ্রীডলাইন বসানো হয়।
          • সাময়িক বা অস্থায়ী খুটির বদলে কংক্রীটের খুটি ব্যবহার করে গ্রীডলাইনগুলোকে স্থায়ী করে রাখা হয় যাতে ভবিষ্যতে যেকোন প্রয়োজনে গ্রীডলাইনগুলো অস্তিত্ব পাওয়া যায়।
          • লেভেল মেশিনের সাহায্যে রাস্তার চুড়ার তলের উপর ভিত্তি করে ভবনের প্লিন্থ লেভেল নির্ধারণ করতে হয়। প্লিন্থ লেভেলের চিহ্নটি এমন এক স্থানে রাখতে হয় যেখানে সহজে যাওয়ার ব্যবস্থা আছে, সহজে দেখা যায় ও ভবন নির্মানের শেষ পর্যন্ত যেই স্থানের অস্তিত্ব থাকবে।  
          • পরষ্পর লম্ব দুইটি গ্রীডলাইনের ছেদবিন্দু থেকে কলাম ও ফাউণ্ডেশনের সাইজ, অবস্থান এবং গভীরতা নির্ধারণ করা হয়।
          • কাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে পরষ্পর লম্ব চারটি গ্রীডলাইনের দ্বারা আবদ্ধ বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ বারবার পরীক্ষা করতে হয় যাতে উক্ত গ্রীডলাইনগুলোর মাঝে ৯০ ডিগ্রি থাকে। কারণ আমরা জানি একটি পূর্ণাংগ বর্গক্ষেত্রের কর্ণ দুইটি সবসময় সমান থাকে।
          ভবনের লে-আউট দেয়া ভবন নির্মানের বেশ গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি আসলে গণিতের জ্যামিতি বিষয়ের একটি পরিপূর্ণ ব্যবহারিক ঘটনা। ভবনে লে-আউট দিয়ে কাজ করলে বিভিন্ন সুবিধা পাওয়া যায় যেমনঃ
          • ভবন নির্মানের ক্ষেত্রে ভুল হবার সম্ভাবনা কম হয়।
          • ভবন নির্মান কাজে ব্যবহৃত ফোরম্যান বা মিস্ত্রি সঠিক-সুন্দর ভাবে ও নির্বিঘ্নে কাজ চালিয়ে যেতে পারে।
          • নির্মান কাজের বিভিন্ন পর্যায়ে কলামের অবস্থান পূনঃপরীক্ষার জন্য স্থায়ী লে-আউটের প্রয়োজন হয়।
          • ভবনের নকশা বা আসল  জমিতে কোন রকম সমস্যা থাকলে লে-আউট চলাকালীন সময়ে সংশোধন করা যেতে পারে।

          ভবনের লে-আউট দেয়ার জন্য আজ কাল টোটাল ষ্টেশনের বহুল ব্যবহার চোখে পড়ছে। বাংলাদেশে বেশ কিছু ডিজিটাল সার্ভে কোম্পানী আছে যারা টোটাল ষ্টেশনের মাধ্যমে নির্ভুলভাবে ইমারতের লে-আউট দিয়ে থাকে।তারপরও নিচে লে-আউট দেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানের নাম দেয়া হলঃ
          -       টোটাল ষ্টেশন বা লেভেল মেশিন
          -       নাইলনের সুতা
          -       পেরেক
          -       হাতুড়ি
          -       অস্থায়ী বাঁশের খুটি
          -       স্থায়ী কঙ্ক্রীটের খুটি
          -       স্টীলের একটি বড় সমকোনী ত্রিভুজ
          -       স্টীল টেপ (১০০ ফুট)
          -       মাঝারি সাইজের প্লাম্ব বব বা ওলোন
          Read More
          • Share This:  
          •  Facebook
          •  Twitter
          •  Google+
          •  Linkedin
          •  Digg

          কংক্রিট মিক্স ডিজাইন

           www.bdcivilinfo.blogspot.com     3:09 PM     Construction Process, Estimating     No comments   


          কংক্রিট এর মধ্যে মুল উপাদান থাকে সিমেন্ট, বালি ও পাথর। আর এদের সহায়ক হিসাবে থাকে পানি ও এডমিক্সার। ইঞ্জিনিয়ারিং এর ভাষাতে সিমেন্ট হলো বন্ডিং এজেন্ট। বালি হলো ফাইন এগ্রিগেট এবং পাথর হলো কোর্স এগ্রিগেট। পানি সিমেন্টের সাথে বিক্রিয়া করে সিমেন্ট+বালি+পাথরকে একটি উপাদানে বেধে ফেলে। পুরো উপাদান হয়ে পাথরের মত শক্ত। কিন্তু এগুলো কি ইচ্ছা মতো মেশানো যায় ?? না যায় না। সিমেন্ট,বালি,পাথর,পানি ও এডমিক্সার এর অনুপাতের উপরই নির্ভর করে কংক্রিট এর ক্ষমতা। 
          আমরা সাধারণ ভাষাতে সিমেন্ট:বালি:পাথর এভাবে বলে থাকি। যেমন 1:2:3 অথবা 1:1.5:3 অথবা 1:2:4। কিন্তু এই অনুপাতই সবকিছু না। সিমেন্ট-পানির অনুপাত একটি গুরুত্বপুর্ণ বিষয়। আবার পাথরের মধ্যে বিভিন্ন সাইজের পাথরের মিশ্রণও খুব গুরুত্বপুর্ণ। যেমন ধরুন সকল পাথর যদি 20 মিলি সাইজের হয়, তাহলে কিন্তু ভাল হবে না। এর চেয়ে ছোট সাইজের মিশ্রণ থাকতে হবে পাথরের মধ্যৈ। এই জন্যই কিন্তু পাথরের সাইজ এর সাথে একটি কথা যুক্ত থাকে। তা হলো " ডাউন গ্রেডেড"। অর্থাৎ এর চেয়ে ছোট সাইজের পাথর এবং সেটাও সঠিক ভাবে থাকে হবে। 
          এই মিশ্রণের অনুপাত বের করার পদ্ধতিকেই মিক্স ডিজাইন বলে।
          মিক্স ডিজাইনের জন্য বিভিন্ন গবেষক (বৃন্দ) বিভিন্ন পদ্ধতি দিয়েছেন। বর্তমানে এসি.আই মিক্স ডিজাইন বেশি ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও কিছু পদ্ধতি আছে। যদিও সেগুলি বেশ পুরাতন। যেমন:
          1.খুব কম পরিমান ফাকা বা ভয়েডের অবস্থান। এতে খেয়াল রাখা হতো যেন মিক্সার এর মধ্যে শুন্যতা না থাকে। অর্থাৎ এতে ঘণত্ব বেশি থাকতো। এটি বেশ পুরানো পদ্ধতি
          2. ফুলার পদ্ধতি: এটিও ঘণত্ব বাড়ানোর একটি পদ্ধতি। ফুলার ও থমসন এই পদ্ধতি আবিস্কার করেন। তারা সুত্র দেন- p=100 X root(d/D)
          p=d এর চেয়ে ছোট উপাদানের শতকরা হার
          d= ছোট উপাদানের সাইজ
          D= বড় উপাদানের সাই। 
          20 মিমি যদি বড় সাইজের হয়, 4.75 যদি ছোট সাইজের হয়, তাহলে 4.75 এর চেয়ে ছোট সাইজের উপাদান থাকতে হবে 50 শতাংশ।
          3.তালবোট-রিচার্ড পদ্ধতি:এতে সিমেন্টের অনুপাত নির্ধারণ করে মিক্স করা হয়। তবে এই পদ্ধতি খুব বেশি জনপ্রিয় নয়
          4. ফাইননেস মডুলাস পদ্ধতি: সুত্রটি নিম্নরুপ
          p=100(A-B)/(A-C)
          P=ফাইন এগ্রিগেটের অনুপাত মোট এগ্রিগেটের সাথে
          A= কোর্স এগ্রিগেটের ফাইননেস মডুলাস
          B= টেবিল অনুসারে , সিমেন্টের সাথে সম্পর্কিত সর্বোচ্চ অনুমোদিত ফাইননেস মডুলাস
          C= ফাইন এগ্রিগেটের ফাইননেস মডুলাস
          5. এ.সি.আই পদ্ধতি: এটিই সবচেয়ে বেশি ব্যবহুত হয়। এই বিষয়ে আমাদের পুর্বে একটি লেখা দেয়া হযেছিল।
          Read More
          • Share This:  
          •  Facebook
          •  Twitter
          •  Google+
          •  Linkedin
          •  Digg

          জেনে নিন মিনিমাম পুরুত্ব (ডিফ্লেকশন হিসাব না করা হলে)

           www.bdcivilinfo.blogspot.com     3:06 PM     Structural, Subjective Knowledge     No comments   


          ওয়ান ওয়ে স্ল্যাব
          ১. সিম্পলী সাপোর্ট =  স্প্যান / ২০
          ২. একদিকে কন্টিনিউয়াস =  স্প্যান / ২৪
          ৩. দুই দিকেই কন্টিনিউয়াস =  স্প্যান / ২৮
          ৩. ক্যান্টিলিভার =  স্প্যান / ১০

          বীম
          ১. সিম্পলী সাপোর্ট =  স্প্যান / ১৬
          ২. একদিকে কন্টিনিউয়াস =  স্প্যান / ১৮.৫
          ৩. দুই দিকেই কন্টিনিউয়াস =  স্প্যান / ২১
          ৩. ক্যান্টিলিভার =  স্প্যান / ৮

          উল্লেখ্য :
          উপরের হিসাবে ধরা হয়েছে যে কংক্রিট সাধারণ ওজনের কংক্রিট ১৪৫ পাউন্ড/ঘণফুট এবং রিবার ৬০ গ্রেড
          ক) যদি লাইট-কংক্রিট হয় ( ৯০-১১৫ পাউন্ড/ঘণফুট) তাহলে উপরের সুত্র থেকে প্রাপ্ত পুরুত্বকে (১.৬৫-০.০০৫ X কংক্রিট একক ওজন) দিয়ে গুণ করতে হবে। 
          তবে গুণ করার এই ফ্যাক্ট ১.০৯ এর নিচে হতে পারবে না। কংক্রিট এর একক ওজন ৯০ থেকে ১১৫ এর মধ্যে।
          খ) যদি রিবার গ্রেড ৬০ থেকে অন্য হয় তাহলে (০.৪+ রিবার পি.এস.আই/১০০,০০০)

          উদাহরণ:
          বীমের স্প্যাণ ৩৭ ফুট, কংক্রিট এর একক ওজন ১১০ এবং একদিকে কন্টিনিউয়াস। রিবার ব্যবহার করা হযেছে ৮০ গ্রেড, বিমের পুরুত্ব বা থীকনেস কমপক্ষে কত ??
          ১. সাধারণ কংক্রিট ও ৬০ গ্রেডের জন্য উচ্চতা ৩৭X১২/১৮.৫ = ২৪ ইঞ্চ
          ক) ফ্যাক্টর = ১.৬৫-০.০০৫ X ১১০ = ১.১
          খ) ফ্যাক্টর = ০.৪+৮০,০০০/১০০,০০০ = ১.২
          সুতরাং উচ্চতা হবে ২৪ X ১.১ X ১.২ = ৩৮.৬৮ ‍‍‍~ ৩৮.৫ ইঞ্চ
          Read More
          • Share This:  
          •  Facebook
          •  Twitter
          •  Google+
          •  Linkedin
          •  Digg
          Newer Posts Older Posts Home

          Popular Posts

          • রাজউক ও পৌরসভার ইমারত নির্মাণ অনুমোদনের জন্য যা করণীয়
            আমরা অনেকেই ভবন নির্মাণ নিয়ে মাথা ঘামাই কিন্তু হয়তোবা জানিনা প্রয়োজনীয় নিয়ম-কানুন অথবা কি কি কাগজপএ রাজউকে বা পৌরসভা জমা দিতে হবে। কিংবা...
          • Roof- ছাদ
            আর . সি . সি . মেঝে স্ল্যাবঃ( R.C.C. floor slab) রড সিমেন্ট কংক্রিট দিয়ে নির্মিত সমতল পাতলা ঢালাইকে স্ল্যাব বলে। এটি সাধারণত প্রশস্ত এ...
          • ইট-Bricks
            নির্মাণ সামগ্রী হিসেবে ইট যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। ভারবহনকারি দেয়াল, পার্টিশন দেয়াল ইত্যাদি তৈরিতে ইট কাজে লাগে। এছাড়া ইট দিয়ে খোয়া তৈরি ক...
          • সেপটিক ট্যাংকের আয়তন
            আসুন আজ সেপটিক ট্যাংকের আয়তন নির্ণয় করতে শিখি : . . ধরি, আমরা ১০০ জন ব্যবহারকারী জন্য সেফটিক ট্যাংক তৈরী করবো... . আমাদের দেশে সিউ...
          • সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কি ? সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর শাখা সমূহ।
            সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কি সংজ্ঞা: ডিজাইন , কনস্ট্রাকশন এবং রক্ষণাবেক্ষন এর প্রকৌশলী বিজ্ঞান। প্রকৌশল জ্ঞান এর মা বলা হয়। সবচেয়ে পুরান ,...
          • FAR-Floor Area Ratio
            'FAR'' কিভাবে বের করবেন ? কোটি টাকা দামের একটা বিষয় একজন প্রকৌশলীর কাছে !!! এখুনি হিসাবটা শিখে নিন । হ্যাল...
          • আর.সি.সি. ফুটিং (R.C.C. Footing )
            আর . সি . সি . ফুটিং ডিজাইনের নীতিসমুহ ( Understand the principles of designing R.C.C. footing) কোন প্রকৌশল কাঠামোর যে অংশ মাটির নিচ...
          • রড নিয়ে সামান্য তথ্য
            বর্তমানে প্রায় সকল রডই ওয়েল্ডেবল। রডের গায়ে N,R,RW,W অংকিত থাকে বলা যায় এগুলো রডের ম্যনুফ্যকচার ডিসক্রিপশান সংক্ষিপ্তাকারে। এগুলো প্রকৌশলীরা...
          • বিল্ডিং তৈরীর ধাপ
            একটি বিল্ডিং এর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ক্রমানুসারে কাজের ধাপ ইংরেজীতে একটা কথা আছে-“A stitch in time saves nine” যাকে বলে সময়ের এক ফোঁ...
          • জমি জমার পরিমাপ
            এখানে একটি পরিমাপকে বিভিন্ন ভাবে তুলে ধরা হয়েছে কারন প্রত্যেকে যেন যার যার সুবিধা মতে সহজে বুঝতে পারেন। ১ অযুতাংশ = ৪ বর্গফুট ৫২.৩৬ ...

          Categories

          • Admission Rules
          • AMIE
          • Amie Syllabus
          • Auto Cad
          • Bricks
          • Computer Knowledge
          • Construction Process
          • Contact
          • Earth Quake
          • Estimating
          • Geotechnical
          • Govt Job
          • Job Info
          • Job Site
          • Marketing Job
          • MS Excel
          • MS Office
          • MS Word
          • Private Job
          • Refference Book
          • Reinforcement
          • Structural
          • Subjective Knowledge
          • Surveying

          Blog Archive

          • October 2020 (2)
          • January 2019 (1)
          • October 2017 (4)
          • September 2017 (1)
          • June 2017 (1)
          • April 2017 (1)
          • March 2017 (4)
          • February 2017 (8)
          • January 2017 (30)

          About Me

          www.bdcivilinfo.blogspot.com
          View my complete profile

          Copyright © Bd Civil Info | Powered by Blogger
          Design by Hardeep Asrani | Blogger Theme by NewBloggerThemes.com | Distributed By Gooyaabi Templates