Bd Civil Info
  • Home
  • Subjective Knowledge
    • Construction Process
    • Surveying
    • Structural
    • Geotechnical
  • Estimating
    • Estimating Info
    • Bricks
    • Reinforcement
    • Concrete
  • AMIE
    • Questions
      • Drawing (Civil)
      • Physics
      • Surveying
      • Mathemetics-1
    • Syllabus
    • Admission Rules
    • Reference Book
  • JOB INFO
    • Govt.
    • Job Site
      • Bdjobs
      • Everjobs
    • Private
    • Marketing
  • Computer Knowledge
    • MS Office
      • MS Word
      • MS Excel
      • MS Powerpoint
    • Auto Cad
    • Revit Architect
    • Adobe Photoshop
  • Contact
Showing posts with label Surveying. Show all posts
Showing posts with label Surveying. Show all posts

Sunday, October 15, 2017

ভূমিকম্প কি?

 www.bdcivilinfo.blogspot.com     11:03 AM     Construction Process, Earth Quake, Geotechnical, Structural, Subjective Knowledge, Surveying     No comments   


ভূমিকম্প বলতে পৃথিবীপৃষ্ঠের অংশবিশেষের হঠাৎ অবস্থান পরিবর্তন বা আন্দোলনকে বোঝায়। হঠাৎ বুঝতে পারলেন আপনার ঘরের কোনো জিনিস নড়ছে, দেয়ালের ঘড়ি, টাঙানো ছবিগুলো নড়ছে, আপনিও ঝাঁকুনি অনুভব করছেন, তখন বুঝতে হবে ভূমিকম্প হচ্ছে। ভূমিকম্প বা ভূকম্পনঃ ভূ মানে পৃথিবী আর কম্পন হলো কাঁপা; সোজাভাবে ভূমিকম্প হলো পৃথিবীর কেঁপে ওঠা। তার মানে পৃথিবী যখন কাঁপে তখন আমরা তাকে ভূমিকম্প বলি। পৃথিবীতে বছরে গড়ে কত ভূমিকম্প হয়, শুনলে কপালে উঠতে পারে চোখ। বছরে গড়ে ছয় হাজার ভূমিকম্প হয়। তবে এগুলোর অধিকাংশই মৃদু যেগুলো আমরা টের পাই না। সাধারণত তিন ধরনের ভূমিকম্প হয়ে থাকে- প্রচণ্ড, মাঝারি ও মৃদু। আবার উৎসের গভীরতা অনুসারে তিন ভাগে ভাগ করা যায়- অগভীর, মধ্যবর্তী ও গভীর ভূমিকম্প। ভূমিকম্পের কেন্দ্র ভূপৃষ্ঠের ৭০ কিলোমিটারের মধ্যে হলে অগভীর, ৭০ থেকে ৩০০ কিলোমিটারের মধ্যে হলে মধ্যবর্তী এবং ৩০০ কিলোমিটারের নিচে হলে গভীর ভূমিকম্প বলে। ভূমিকম্পের কারণ ছোটবেলায় গল্প শুনতাম, পৃথিবীটা একটা বড় ষাঁড়ের শিংয়ের মাথায়। ষাঁড়টা যখন এক শিং থেকে অন্য শিংয়ে পৃথিবীটা নিয়ে যায় তখন সবকিছু কেঁপে ওঠে। আর ভাবতাম, এজন্যই ভূমিকম্প হয়। ভূমিকম্পের কারণ এটা নয় বটে, তবে পৃথিবীর গভীরে ঠিকই একটা পরিবর্তন হয়। সাধারণত তিনটি প্রধান কারণে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়ে থাকে… ১. ভূপৃষ্ঠজনিত ২. আগ্নেয়গিরিজনিত ৩. শিলাচ্যুতিজনিত পরিমাপ সিসমোগ্রাফ আবিষ্কারের আগে মানুষ শুধু বলতে পারত ভূমিকম্প হয়ে গেছে। কিন্তু কোন মাত্রায় হলো, বলা সম্ভব ছিল না। আধুনিক সিসমোগ্রাফের বয়স প্রায় ১৫০ বছর। ভূমিকম্প মাপা হয় দুইভাবে- তীব্রতা এবং প্রচণ্ডতা বা ব্যাপকতা। ভূমিকম্পের মাত্রা মাপা হয় রিখটার স্কেলে। স্কেলে এককের সীমা ১ থেকে ১০ পর্যন্ত। রিখটার স্কেলে মাত্রা ৫-এর বেশি হওয়া মানে ভয়াবহ দুর্যোগের আশঙ্কা। মনে রাখতে হবে, ভূমিকম্প এক ডিগ্রি বৃদ্ধি পেলেই এর মাত্রা ১০ থেকে ৩২ গুণ বৃদ্ধি পেতে পারে। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ৫ - ৫.৯৯ মাঝারি ৬ - ৬.৯৯ তীব্র ৭ - ৭.৯৯ ভয়াবহ ৮ - এর ওপর অত্যন্ত ভয়াবহ
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Linkedin
  •  Digg

Friday, April 28, 2017

Useful Information of Construction Works

 www.bdcivilinfo.blogspot.com     4:29 PM     Bricks, Construction Process, Estimating, Geotechnical, Structural, Subjective Knowledge, Surveying     No comments   


CONCRETE GRADE:
M5 = 1:4:8
M10= 1:3:6
M15= 1:2:4
M20= 1:1.5:3
M25= 1:1:2


CLEAR COVER TO MAIN REINFORCEMENT:
1.FOOTINGS : 50 mm
2.RAFT FOUNDATION.TOP : 50 mm
3.RAFT FOUNDATION.BOTTOM/SIDES : 75 mm
4.STRAP BEAM : 50 mm
5.GRADE SLAB : 20 mm
6.COLUMN : 40 mm
7.SHEAR WALL : 25 mm
8.BEAMS : 25 mm
9.SLABS : 15 mm
10.FLAT SLAB : 20 mm
11.STAIRCASE : 15 mm
12.RET. WALL : 20/ 25 mm on earth
13.WATER RETAINING STRUCTURES : 20/30 mm


WEIGHT OF ROD PER METER LENGTH:
DIA WEIGHT PER METER



6mm = 0.222Kg
8mm = 0.395 Kg
10mm = 0.616 Kg
12mm = 0.888 Kg
16mm = 1.578 Kg
20mm = 2.466 Kg
25mm = 3.853 Kg
32mm = 6.313 Kg
40mm = 9.865 Kg
1bag cement-50kg
1feet-0.3048m
1m-3.28ft
1sq.m-10.76sq.f ¬t
1cu.m-35.28cu.f ¬t
1acre-43560sq.f ¬t
1cent-435.6sq.f ¬t
1hectare-2.47ac ¬re
1acre-100cent-4 ¬046.724sq.m
1ground-2400sq. ¬ft
1unit-100cu.ft- ¬2.83cu.m 1square-100sq.f ¬t
1 M LENGTH STEEL ROD I ITS VOLUME
V=(Pi/4)*Dia x DiaX L=(3.14/4)x D x D X 1 (for
1m length) Density of Steel=7850 kg/ cub meter
Weight = Volume x Density=(3.14/4)x D x D X
1x7850 (if D is in mm ) So = ((3.14/4)x D x D X
1x7850)/(1000x1000) = Dodd/162.27


DESIGN MIX:

M10 ( 1 : 3.92 : 5.62)
Cement : 210 Kg/ M 3
20 mm Jelly : 708 Kg/ M 3
12.5 mm Jelly : 472 Kg/ M 3
River sand : 823 Kg/ M 3
Total water : 185 Kg/ M 3
Fresh concrete density: 2398 Kg/M 3
M20 ( 1 : 2.48 : 3.55)
Cement : 320 Kg/ M 3
20 mm Jelly : 683 Kg/ M 3
12.5 mm Jelly : 455 Kg/ M 3
River sand : 794 Kg/ M 3
Total water : 176 Kg/ M 3
Admixture : 0.7%
Fresh concrete density: 2430 Kg/ M 3
M25 ( 1 : 2.28 : 3.27)
Cement : 340 Kg/ M 3
20 mm Jelly : 667 Kg/ M 3
12.5 mm Jelly : 445 Kg/ M 3
River sand : 775 Kg/ M 3
Total water : 185 Kg/ M 3
Admixture : 0.6%
Fresh concrete density: 2414 Kg/ M 3
Note: sand 775 + 2% moisture, Water185 -20.5 =
164 Liters,
Admixture = 0.5% is 100ml
M30 ( 1 : 2 : 2.87)
Cement : 380 Kg/ M 3
20 mm Jelly : 654 Kg/ M 3
12.5 mm Jelly : 436 Kg/ M 3
River sand : 760 Kg/ M 3
Total water : 187 Kg/ M 3
Admixture : 0.7%
Fresh concrete density: 2420 Kg/ M 3
Note: Sand = 760 Kg with 2% moisture
(170.80+15.20)
M35 ( 1 : 1.79 : 2.57)
Cement : 410 Kg/ M 3
20 mm Jelly : 632 Kg/ M 3
12.5 mm Jelly : 421 Kg/ M 3
River sand : 735 Kg/ M 3
Total water : 200 Kg/ M 3
Admixture : 0.7%
Fresh concrete density: 2400 Kg/ M 3
Note: sand = 735 + 2%, Water = 200- 14.7 =
185.30,
Admixture = 0.7%
M40 ( 1 : 1.67 : 2.39)
Cement : 430 Kg/ M 3
20 mm Jelly : 618 Kg/ M 3
12.5 mm Jelly : 412 Kg/ M 3
River sand : 718 Kg/ M 3
Water Cement ratio : 0.43
Admixture : 0.7%
Note: Sand = 718 + Bulk age 1%
M45 ( 1 : 1.58 : 2.26)
Cement : 450 Kg/ M 3
20 mm Jelly : 626 Kg/ M 3
12.5 mm Jelly : 417 Kg/ M 3
River sand : 727 Kg/ M 3 + Bulk age 1%
Water Cement ratio : 0.43
Admixture : 0.7%
M50 ( 1 : 1.44 : 2.23)
Cement : 450 Kg/ M 3
20 mm Jelly : 590 Kg/ M 3
12.5 mm Jelly : 483 Kg/ M 3
River sand : 689 Kg/ M 3 + Bulk age 12%
Water Cement ratio : 0.36 (188 Kg)
Admixture : 1.20%3
Micro silica : 30 Kg
Super flow 6.7% of cement
1 cubic meter contains 500 bricks
The Standard size of the 1st class brick is
190mm
x 90mm x
90mm and motor joint should be 10mm thick
So brick with motor=200 x 100 x 100.
Volume of 1st class brick = 0.19 x 0.09 X 0.09 =
0.001539
cu.m
Volume of 1st class brick with motor =0.2 x 0.1 x0.1=0.002 cu.m
No. on bricks per 1cu.m= 1/volume of1st class
brick with
motor
=1/0.002
= 500 no’s of bricks


STANDARD CONVERSION FACTORS

INCH = 25.4 MILLIMETRE
FOOT = 0.3048 METRE
YARD = 0.9144 METRE
MILE = 1.6093 KILOMETER
ACRE = 0.4047 HECTARE
POUND = 0.4536 KILOGRAM
MILLIMETRE= 0.0394 INCH
METRE = 3.2808FOOT
METRE = 1.0936YARD


A rope having length 100cm.You can form any
shape using this rope (Example: Triangle,
Rectangle, etc.,). Which shape will covers

maximum area
1 Newton = o.101971 kg
1 mm2 = 0.01 cm2
1 cm2 = 100 mm2
1 mm2 = 20 N
100 mm2 = 2000N
1 cm2 = 2000N
2000 N = 203.942 kg
So 20 N/ mm2 = 203.942 kg / cm2
RATIO IS 1:1.5:3
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Linkedin
  •  Digg

Monday, February 13, 2017

বাংলাদেশে একটি সম্পত্তি নিবন্ধন করার জন্য ৮ টি ধাপ

 www.bdcivilinfo.blogspot.com     12:36 PM     Construction Process, Subjective Knowledge, Surveying     No comments   


১. ভূমি অফিস (ভূমি রাজস্ব অফিস) থেকে মালিকানা অধিকারের রেকর্ড যাচাই করুন, জমির শেষ ট্যাক্স পরিশোধের তারিখ পর্যন্ত
২. ভূমি সহকারী কমিশনার এর অফিস ও নির্দিষ্ট তহশীল অফিসে সম্পত্তির ট্রান্সফার (পরিবর্তন) সার্টিফিকেট এর জন্য আবেদন করুন
৩. আরএস পরিবর্তনের জন্য পরিদর্শনের অনুরোধ করুন - বাধ্যতামূলক, যদি সম্পত্তি ন্যাশনাল হাউজিং কর্তৃপক্ষ বা রাজউক এর নিয়ন্ত্রণে থাকে। এছাড়াও পরীক্ষা করে দেখুন সম্পত্তিটির সব কর সিটি কর্পোরেশন এর রাজস্ব বিভাগ এ পরিশোধ করা আছে কিনা।
৪. সাব রেজিস্ট্রি অফিস এ Non-Encumbrance সার্টিফিকেটের জন্য অনুরোধ করুন - ভূমির আইনি অবস্থা. বিস্তারিত তথ্য প্রদান করার জন্য ভূমি প্রতিবেদনের প্রয়োজন হতে পারে
৫. স্থানান্তর দলিল প্রস্তুত করুন এবং রেজিস্ট্রি অফিস ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যাংক এ স্ট্যাম্প ডিউটি পরিশোধ করুন
৬. একটি মনোনীত ব্যাংক এ মূলধনী ট্যাক্স, রেজিস্ট্রেশন ফি ও অন্যান্য করের অর্থ প্রদান করুন
৭. রেজিস্ট্রেশন ফি এর জমা রসিদ উপস্থাপন করে মিউনিসিপাল দলিল রেজিস্ট্রি অফিস এ রেজিস্ট্রেশন নথির জন্য আবেদন করুন - ধাপ ৬ দেখুন৷
৮. ভূমি রাজস্ব অফিস এ মালিকানা পরিবর্তনের জন্য নিবন্ধন করুন ও স্থানান্তরের দিন জমির ট্যাক্স পরিশোধ করুন৷
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Linkedin
  •  Digg

Friday, January 20, 2017

ভবন নির্মাণে জায়গা ছাড়ের পরিমাণ কমছে

 www.bdcivilinfo.blogspot.com     12:37 PM     Construction Process, Subjective Knowledge, Surveying     1 comment   



ঢাকা মহানগরী এলাকায় নতুন ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে জটিলতা নিরসনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে ঢাকা মহানগর ইমারত (নির্মাণ, উন্নয়ন, সংরক্ষণ ও অপসারণ) বিধিমালা-২০০৮ সংশোধন করা হচ্ছে। নয়া বিধিমালা অনুযায়ী এখন থেকে রাজধানীতে ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে চারপাশের জায়গা ছাড় দেওয়ার পরিমাণ আড়াই শতাংশ কমানো হচ্ছে। এরই মধ্যে বিধিমালাটি সংশোধনীর খসড়া চূড়ান্ত করেছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। শিগগিরই এটি গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে। সরকারি একটি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।এ ব্যাপারে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব গোলাম রাব্বানী সমকালকে বলেন, নতুন বাড়ি নির্মাণে স্থবিরতা কাটাতেই বিধিমালাটি সংশোধন করা হচ্ছে। সংশোধনীতে ভবনের চারপাশের জায়গা ছাড়ার পরিমাণ কমানো হচ্ছে। তবে পরিবেশের কথা বিবেচনা করে বেশি কমানো সম্ভব হচ্ছে না।তিনি বলেন, জায়গা ছাড়ার বিধান একেক এলাকায় একেক রকমের করার সুপারিশ এসেছিল। কিন্তু এটি পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, নকশা অনুমোদনে এক ধরনের জটিলতা সৃষ্টি হবে। পরে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) থেকে জায়গা ছাড়ের পরিমাণ গড়ে ৫ শতাংশ কমানোর প্রস্তাব করা হলেও পরে তা কমিয়ে অর্ধেক আনা হয়েছে।সূত্র জানায়, সংশোধনী বিধিমালায় নতুন বাড়ি নির্মাণের ক্ষেত্রে বিশেষ করে ২ কাঠা বা এর নিচের পরিমাণ জমিতে বাড়ি বা আবাসিক হোটেল নির্মাণে চারপাশের জমি ছাড়তে হবে সাড়ে ৩০ ভাগ। আর বাকি সাড়ে ৬৯ ভাগে ভবন নির্মাণ করা যাবে। ২ কাঠা থেকে ৩ কাঠা পর্যন্ত জমির ক্ষেত্রে ছাড়তে হবে সাড়ে ৩২ ভাগ, ৩ থেকে ৫ কাঠার ক্ষেত্রে সাড়ে ৩৪ এবং ৫ থেকে ১০ কাঠার ক্ষেত্রে বাড়ি নির্মাণে জমি ছাড়তে হবে সাড়ে ৩৭ ভাগ। এ ছাড়া ৯ থেকে ১২ কাঠার জমির ক্ষেত্রে ছাড়তে হবে সাড়ে ৩৯ ভাগ, ১২ থেকে ১৪ কাঠায় সাড়ে ৪২ ভাগ, ১৪ থেকে ১৮ কাঠায় সাড়ে ৪৪ ভাগ এবং ১৮ কাঠার ওপর জমির ক্ষেত্রে বাড়ি বানাতে চারপাশের জায়গা ছাড়তে হবে সাড়ে ৪৭ ভাগ। তবে এ প্লটে ভবন ৩৩ মিটার বা ১০ তলা পর্যন্ত নির্মাণ করা যাবে। আর বাকি প্লটে ৬ তলার ওপরে ভবন নির্মাণ করা যাবে না।বিধিমালাটি প্রণয়নের পর নতুন বাড়ি নির্মাণে স্থবিরতা দেখা দেয়। বিশেষ করে দেড় থেকে পৌনে দুই কাঠার ছোট প্লটের মালিকদের শোচনীয় অবস্থা লক্ষ্য করা যায়। ছোট আকারের প্লটের ক্ষেত্রেও ৩২ ভাগ জায়গা ছাড়ার নিয়ম রয়েছে। এসব বাড়ির মালিকের সংখ্যা ১ লাখের বেশি। এ বিধান প্রণয়নের পর থেকেই হাত গুটিয়ে বসে আছেন এসব বাড়ির মালিক। তারা বিধিমালার পরিবর্তনের আর্জি জানান। এ বিষয়ে তারা এলাকার সংসদ সদস্য, গৃহায়ন মন্ত্রণালয় ও রাজউকে ধর্ণা দেন। এমন আবেদনের স্তূপ জমা পড়ছে রাজউকে। ১৯৯৬ সালে প্রণীত পুরনো বিধিমালার আলোকে তারা বাড়ি নির্মাণ করতে আবেদন জানান সরকারের কাছে। এ বিধিমালা ২ কাঠার নিচে প্লটে ভবন নির্মাণে জায়গা ছাড়তে হতো না। রাজউকও নতুন বিধিমালা ছাড়া বাড়ির নকশা অনুমোদন দিচ্ছে না। ফলে এসব মালিক নতুন ভবন তৈরি করছেন না। একইভাবে ২ কাঠার বেশি জমির মালিকরাও বিদ্যমান বিধিমালায় ভবন নির্মাণ করতে গিয়ে বিপাকে পড়ছেন।রাজউকের একাধিক কর্মকর্তা জানান, বিদ্যমান বিধিমালা জারি হওয়ার পর কয়েকটি বিধি ও উপবিধি প্রয়োগে জটিলতা দেখা দিয়েছে। ফলে নকশা অনুমোদন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে বিলম্ব হচ্ছে। বিধিমালা-২০০৮ অনুসরণ করতে গিয়ে ক্ষুদ্র আয়তনের প্লটে বাড়ির নকশা অনুমোদনের ক্ষেত্রে জটিলতা দেখা দিচ্ছে বলে অনেক প্লট মালিক মন্ত্রণালয় ও রাজউকে আবেদন করছেন। এসব প্লট মালিকদের বক্তব্য, ৩ কাঠা আয়তনের প্লটে বাড়ি করার জন্য যে পরিমাণ জমি ছাড় দেওয়ার বিধান রয়েছে এতে বসবাসযোগ্য বাড়ি তৈরি সম্ভব নয়। তারা বিধিমালা ১৯৯৬-এর আলোকে নকশা অনুমোদনের আবেদন করছেন। তাদের আবেদন পর্যালোচনা করা হয়েছে। রাজউকের পক্ষ থেকেও বিদ্যমান বিধিমালাটি সংশোধনের পক্ষে মত দিয়ে একটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এটি বিবেচনা করেই সংশোধনী বিধিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে।

Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Linkedin
  •  Digg

“পর্চা”, “দাগ”, “খতিয়ান”, “মৌজা”, “জমা খারিজ”, “নামজারি”, “তফসিল” কাকে বলে??? এবং জেনে নিন ভূমি বিষয়ক জরুরী সব তথ্য..

 www.bdcivilinfo.blogspot.com     12:33 PM     Subjective Knowledge, Surveying     No comments   





“নামজারী” কাকে বলে?
ক্রয়সূত্রে/উত্তরাধিকার সূত্রে অথবা যেকোন সূত্রে জমির নতুন মালিক হলে নতুন মালিকের নাম সরকারি খতিয়ানভুক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারী বলা হয়।
“জমা খারিজ”কাকে বলে?
যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে। অন্য কথায় মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমির অংশ নিয়ে নতুন জোত বা খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে।
“খতিয়ান” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে ভূমি মালিকের মালিকানা নিয়ে যে বিবরণ প্রস্তুত করা হয় তাকে “থতিয়ান” বলে। খতিয়ান প্রস্তত করা হয় মৌজা ভিত্তিক। আমাদের দেশে CS, RS, SA এবং সিটি জরিপ সম্পন্ন হয়েছে। এসব জরিপকালে ভূমি মালিকের তথ্য প্রস্তত করা হয়েছে তাকে “খতিয়ান” বলে। যেমন CS খতিয়ান, RS খতিয়ান…
 “পর্চা” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে চূড়ান্ত খতিয়ান প্রস্তত করার পূর্বে ভূমি মালিকদের নিকট খসড়া খতিয়ানের যে অনুলিপি ভুমি মালিকদের প্রদান করা করা হ তাকে “মাঠ পর্চা” বলে। এই মাঠ পর্চা রেভিনিউ/রাজস্ব অফিসার কর্তৃক তসদিব বা সত্যায়ন হওয়ার পর যদি কারো কোন আপত্তি থাকে তাহলে তা শোনানির পর খতিয়ান চুড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়। আর চুড়ান্ত খতিয়ানের অনুলিপিকে“পর্চা” বলে।
“মৌজা” কাকে বলে?
যখন CS জরিপ করা হয় তখন থানা ভিত্তিক এক বা একাধিক গ্রাম, ইউনিয়ন, পাড়া, মহল্লা অালাদা করে বিভিন্ন এককে ভাগ করে ক্রমিক নাম্বার দিয়ে চিহ্তি করা হয়েছে। আর বিভক্তকৃত এই প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে।
 “তফসিল” কাকে বলে?
জমির পরিচয় বহন করে এমন বিস্তারিত বিবরণকে “তফসিল” বলে। তফসিলে, মৌজার নাম, নাম্বার, খতিয়ার নাম্বার, দাগ নাম্বার, জমির চৌহদ্দি, জমির পরিমাণ সহ ইত্যাদি তথ্য সন্নিবেশ থাকে।
“দাগ” নাম্বার কাকে বলে?
যখন জরিপ ম্যাপ প্রস্তুত করা হয় তখন মৌজা নক্সায় ভূমির সীমানা চিহ্নিত বা সনাক্ত করার লক্ষ্যে প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদা আলাদ নাম্বার দেয়া হয়। আর এই নাম্বারকে দাগ নাম্বার বলে। একেক দাগ নাম্বারে বিভিন্ন পরিমাণ ভূমি থাকতে পারে। মূলত, দাগ নাম্বার অনুসারে একটি মৌজার অধীনে ভূমি মালিকের সীমানা খূটিঁ বা আইল দিয়ে সরেজমিন প্রর্দশন করা হয়।
“ছুটা দাগ” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে প্রাথমিক অবস্থায় নকশা প্রস্তুত অথবা সংশোধনের সময় নকশার প্রতিটি ভূমি এককে যে নাম্বার দেওয়া হয় সে সময় যদি কোন নাম্বার ভুলে বাদ পড়ে তাবে ছুটা দাগ বলে। আবার প্রাথমিক পর্যায়ে যদি দুটি দাগ একত্রিত করে নকশা পুন: সংশোধন করা হয় তখন যে দাগ নাম্বার বাদ যায় তাকেও ছুটা দাগ বলে।
“খানাপুরি” কাকে বলে?
জরিপের সময় মৌজা নক্সা প্রস্তুত করার পর খতিয়ান প্রস্তুতকালে খতিয়ান ফর্মের প্রত্যেকটি কলাম জরিপ কর্মচারী কর্তৃক পূরন করার প্রক্রিয়াকে খানাপুরি বলে।
“আমিন” কাকে বলে?
ভূমি জরিপের মাধ্যমে নক্সা ও খতিয়ান প্রস্তত ও ভূমি জরিপ কাজে নিজুক্ত কর্মচারীকে আমিন বলে।
“কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
ভূমি জরিপ কালে চতুর্ভুজ ও মোরব্বা প্রস্তত করার পর সিকমি লাইনে চেইন চালিয়ে সঠিকভাবে খন্ড খন্ড ভুমির বাস্তব ভৌগলিক চিত্র অঙ্কনের মাধ্যমে নকশা প্রস্তুতের পদ্ধতিকে কিস্তোয়ার বলে।
“খাজনা” ককে বলে?সরকার বার্ষিক ভিত্তিতে যে প্রজার নিকট থেকে ভূমি ব্যবহারের জন্য  যে কর আদায় করে তাকে  খাজনা বলে।
“দাখিলা” কাকে বলে?
ভূমি কর/খাজনা আদায় করে যে নির্দিষ্ট ফর্মে ( ফর্ম নং১০৭৭) ভূমি কর/খাজনা আদায়ের প্রমান পত্র বা রশিদ দেওয়া হয় তাকে দাখিলা বলা হয়।
DCR কাকে বলে?
ভূমি কর ব্যতিত আন্যান্য সরকারি পাওনা আদায় করার পর যে নির্ধারিত ফর্মে (ফর্ম নং ২২২) রশিদ দেওয়া হয় তাকে DCR বলে।
“কবুলিয়ত” কাকে বলে?
সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব প্রজা কর্তৃক গ্রহণ করে খাজনা প্রদানের যে অঙ্গিকার পত্র দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে।
“নাল জমি” কাকে বলে?
২/৩ ফসলি সমতল ভূমিকে  নাল জমি বলা হয়।
“খাস জমি” কাকে বলে?
সরকারের ভূমি মন্ত্রনালয়ের আওতাধিন যে জমি সরকারের পক্ষে কালেক্টর বা ডিসি তত্ত্বাবধান করেন এমন জমিকে খাস জমি বলে।
 “চান্দিনা ভিটি” কাকে বলে?
হাট বাজারের স্থায়ী বা অস্থায়ী  অকৃষি জমির যে অংশ  প্রজার প্রতি  বরাদ্ধ দেওয়া হয় তাকে চান্দিনা ভিটি বলে।
“ওয়াকফ” কাকে বলে?
ইসলামি বিধান অনুযায়ী কোন ভূমি তার মালিক কর্তৃক  ধর্মীয় ও সমাজ কল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানের ব্যয় ভার বহন করার উদ্দেশ্যে কোন দান করাকে ওয়াকফ বলে
 “মোতয়াল্লী” কাকে বলে?যিনি ওয়াকফ সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা ও তত্ত্বাবধান  করেন তাকে মোতওয়াল্লী বলে। ওয়াকফ প্রশাসকের অনুমতি ব্যতিত মোতওয়াল্লী  ওয়াকফ সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে না।
“দেবোত্তর” সম্পত্তি কাকে বলে?
হিন্দুধর্ম মতে, ধর্মীয় কাজের জন্য উৎসর্গকৃত ভূমিকে দেবোত্তর সম্পত্তি বলে।
“ফারায়েজ” কাকে বলে?
ইসলামি বিধান মোতাবেক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করার নিয়ম ও প্রক্রিয়াকে ফারায়েজ বলে।
“ওয়ারিশ” কাকে বলে?
ওয়ারিশ অর্থ উত্তরাধিকারী । ধর্মীয় বিধানের অনুয়ায়ী কোন ব্যক্তি উইল না করে মৃত্যু বরন করলেতার স্ত্রী, সন্তান বা নিকট আত্মীয়দের মধ্যে যারা তার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে মালিক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণকে ওয়ারিশ বলে।
 “সিকস্তি” কাকে বলে?
নদী ভাংঙ্গনের ফলে যে জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায় তাকে সিকন্তি বলে। সিকন্তি জমি যদি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পয়ন্তি হয় তাহলে সিকন্তি হওয়ার প্রাক্কালে যিনি ভূমি মালিক ছিলেন তিনি বা তাহার উত্তরাধিকারগন উক্ত জমির মালিকানা শর্ত সাপেক্ষ্যে প্রাপ্য হবেন।
“পয়ন্তি” কাকে বলে?
নদী গর্ভ থেকে পলি মাটির চর পড়ে জমির সৃষ্টি হওয়াকে পয়ন্তি বলে।
“দলিল” কাকে বলে?
যে কোন লিখিত বিবরণ আইনগত সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য তাকে দলিল বলা হয়। তবে রেজিস্ট্রেশন আইনের বিধান মোতাবেক জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করেন সাধারন ভাবেতাকে দলিল বলে।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Linkedin
  •  Digg

Tuesday, January 17, 2017

জমি জমার পরিমাপ

 www.bdcivilinfo.blogspot.com     11:50 AM     Subjective Knowledge, Surveying     No comments   


এখানে একটি পরিমাপকে বিভিন্ন ভাবে তুলে ধরা হয়েছে কারন প্রত্যেকে যেন যার যার সুবিধা মতে সহজে বুঝতে পারেন।
১ অযুতাংশ = ৪ বর্গফুট ৫২.৩৬ বর্গ ইঞ্চি।
১ ছটাক = ৪৫ বর্গফুট।
-----------------------------------------
১ শতাংশ =৪৩৫ বর্গফুট ৬৫.৪৫ বর্গ ইঞ্চি।
১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ।
৫ শতাংশ = ৩ কাঠা। = ১৩০৬.৮ বর্গফুট ।
১০ শতাংশ = ৬ কাঠা। = ৪৩৫৬ বর্গফুট ।
-----------------------------------------
১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট।
১ কাঠা = ৮০ বর্গগজ।
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ।
১ কাঠা = ১৬ ছটাক।
২০ কাঠা = ১ বিঘা।
৬০.৫ কাঠা = ১ একর।
---------------------------------------
১ বিঘা = ১৪,৪০০ বর্গফুট।
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ।
১ বিঘা = ২০ কাঠা ।
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ।
---------------------------------------
১ একর = ১০০ শতাংশ।
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক।
১ একর = ৬০.৫ কাঠা।
--------------------------------------
চট্টগ্রামের বাসিন্দাদের জন্য নিন্মের হিসাবটা একটু বেশী কাজে লাগবে।
১ গন্ডা = ৮৭১ বর্গফুট।
১ গন্ডা = ২ শতাংশ।
১ গন্ডা = ১.২১ কাঠা।
২০ গন্ডা = ১ কানি ।
১ কানি = ১৬,৯৯০ বর্গফুট।
১ কানি = ৩৯ শতাংশ।
১ কানি = ২৩.৫ কাঠা।
১ কানি = ২০ গন্ডা।
---------------------------------------------
সুতরাং এবার আপনি নিজেই হিসাব করে দেখুন আপনার ক্রয়কৃত বা পৈত্রিক জায়গা-জমি বা ফ্ল্যাটের আয়তন কত?
নিন্মে কিছু সব সময় আলোচনা হয় এমন জমি বা ফ্ল্যাটের আয়তন বা পরিমাপ সর্ম্পকে ধারনা দেওয়া হলোঃ-
১. একটি ৩ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ২১৬০ স্কয়ার বর্গফুট।
২. একটি ৫ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ৩৬০০ স্কয়ার বর্গফুট।
৩. একটি ১০ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ৭২০০ স্কয়ার বর্গফুট।
এখন আপনি ভেবে দেখুন আপনি কত স্কয়ার বর্গফুটের বাসা তৈরী করবেন। বর্তমানে রাজউক ও অন্যান্য বিভাগীয় শহরের ইমারত নিমার্ণ আইনে প্রায় এক তৃতীয়াংশ জায়গা খালি রাখতে হয়। তাহলে এই এক তৃতীয়াংশ জায়গা খালি রেখে আপনি যে প্লট কিনেছেন তাতে কত স্কয়ার বর্গফুটের একটি বাড়ী তৈরী করা যাবে তা ভেবে দেখুন। অর্থাৎ আপনি ৩ কাঠার প্লটে ১৪৪০ স্কয়ার বর্গফুটের বাড়ী করে বাকী ৭২০ স্কয়ার বর্গফুট জায়গা খালি রাখতে হবে বাড়ীর চারপাশে ড্রেন ও আলো বাতাসের জন্য।
ধরুন বর্তমানে যারা ফ্ল্যাট কেনেন তাদের ক্ষেত্রে-- যেমন:-
১. ৯০০ স্কয়ার বর্গফুটের ফ্ল্যাটে সিড়ি, ফ্ল্যাটের সামানে, সাইডে, পিছনের জায়গা বাদ দিয়ে টিকবে ৬০০ থেকে ৬৫০ স্কয়ার বর্গফুট ।
২. ১২০০ স্কয়ার বর্গফুটের ফ্ল্যাটে সিড়ি, ফ্ল্যাটের সামানে, সাইডে, পিছনের জায়গা বাদ দিয়ে টিকবে ৭৮০ থেকে ৮৫০ স্কয়ার বর্গফুট ।
৩. ১৬০০ স্কয়ার বর্গফুটের ফ্ল্যাটে সিড়ি, ফ্ল্যাটের সামানে, সাইডে, পিছনের জায়গা বাদ দিয়ে টিকবে ১২০০ থেকে ১২৫০ স্কয়ার বর্গফুট ।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Linkedin
  •  Digg
Older Posts Home

Popular Posts

  • রাজউক ও পৌরসভার ইমারত নির্মাণ অনুমোদনের জন্য যা করণীয়
    আমরা অনেকেই ভবন নির্মাণ নিয়ে মাথা ঘামাই কিন্তু হয়তোবা জানিনা প্রয়োজনীয় নিয়ম-কানুন অথবা কি কি কাগজপএ রাজউকে বা পৌরসভা জমা দিতে হবে। কিংবা...
  • Roof- ছাদ
    আর . সি . সি . মেঝে স্ল্যাবঃ( R.C.C. floor slab) রড সিমেন্ট কংক্রিট দিয়ে নির্মিত সমতল পাতলা ঢালাইকে স্ল্যাব বলে। এটি সাধারণত প্রশস্ত এ...
  • ইট-Bricks
    নির্মাণ সামগ্রী হিসেবে ইট যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। ভারবহনকারি দেয়াল, পার্টিশন দেয়াল ইত্যাদি তৈরিতে ইট কাজে লাগে। এছাড়া ইট দিয়ে খোয়া তৈরি ক...
  • আর.সি.সি. ফুটিং (R.C.C. Footing )
    আর . সি . সি . ফুটিং ডিজাইনের নীতিসমুহ ( Understand the principles of designing R.C.C. footing) কোন প্রকৌশল কাঠামোর যে অংশ মাটির নিচ...
  • সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কি ? সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর শাখা সমূহ।
    সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কি সংজ্ঞা: ডিজাইন , কনস্ট্রাকশন এবং রক্ষণাবেক্ষন এর প্রকৌশলী বিজ্ঞান। প্রকৌশল জ্ঞান এর মা বলা হয়। সবচেয়ে পুরান ,...
  • FAR-Floor Area Ratio
    'FAR'' কিভাবে বের করবেন ? কোটি টাকা দামের একটা বিষয় একজন প্রকৌশলীর কাছে !!! এখুনি হিসাবটা শিখে নিন । হ্যাল...
  • সেপটিক ট্যাংকের আয়তন
    আসুন আজ সেপটিক ট্যাংকের আয়তন নির্ণয় করতে শিখি : . . ধরি, আমরা ১০০ জন ব্যবহারকারী জন্য সেফটিক ট্যাংক তৈরী করবো... . আমাদের দেশে সিউ...
  • জমি জমার পরিমাপ
    এখানে একটি পরিমাপকে বিভিন্ন ভাবে তুলে ধরা হয়েছে কারন প্রত্যেকে যেন যার যার সুবিধা মতে সহজে বুঝতে পারেন। ১ অযুতাংশ = ৪ বর্গফুট ৫২.৩৬ ...
  • রড নিয়ে সামান্য তথ্য
    বর্তমানে প্রায় সকল রডই ওয়েল্ডেবল। রডের গায়ে N,R,RW,W অংকিত থাকে বলা যায় এগুলো রডের ম্যনুফ্যকচার ডিসক্রিপশান সংক্ষিপ্তাকারে। এগুলো প্রকৌশলীরা...
  • বিল্ডিং তৈরীর ধাপ
    একটি বিল্ডিং এর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ক্রমানুসারে কাজের ধাপ ইংরেজীতে একটা কথা আছে-“A stitch in time saves nine” যাকে বলে সময়ের এক ফোঁ...

Categories

  • Admission Rules
  • AMIE
  • Amie Syllabus
  • Auto Cad
  • Bricks
  • Computer Knowledge
  • Construction Process
  • Contact
  • Earth Quake
  • Estimating
  • Geotechnical
  • Govt Job
  • Job Info
  • Job Site
  • Marketing Job
  • MS Excel
  • MS Office
  • MS Word
  • Private Job
  • Refference Book
  • Reinforcement
  • Structural
  • Subjective Knowledge
  • Surveying

Blog Archive

  • October 2020 (2)
  • January 2019 (1)
  • October 2017 (4)
  • September 2017 (1)
  • June 2017 (1)
  • April 2017 (1)
  • March 2017 (4)
  • February 2017 (8)
  • January 2017 (30)

About Me

www.bdcivilinfo.blogspot.com
View my complete profile

Copyright © Bd Civil Info | Powered by Blogger
Design by Hardeep Asrani | Blogger Theme by NewBloggerThemes.com | Distributed By Gooyaabi Templates